ঢাকা শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
মুক্ত মনমুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

দিনে ১ ঘণ্টা ফ্রিজ বন্ধ রাখলে যা ঘটে

প্রিয়ভূমি ডেস্ক
২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৫৬ পিএম
০১ মার্চ ২০২৬, ০৭:০২ পিএম
রেফ্রিজারেটর

বর্তমান সময়ে প্রতিটি বাড়িতেই রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ থাকে। গরমের জায়গায় খাবার টাটকা রাখতে ফ্রিজের বিকল্প নেই। সঠিক ব্যবহার করলে এটি দীর্ঘদিন ভালোভাবে কার্যকর থাকবে। তবে ভুল ভাবে ব্যবহার করলে ফ্রিজ খারাপ হয়ে যায়।

অনেকেই বিদ্যুৎ বিলের খরচ বাঁচাতে দিনে নির্দিষ্ট সময় ফ্রিজ বন্ধ রাখেন। আদতে এতে কি কোনো লাভ হয় নাকি ক্ষতি হচ্ছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক মাঝে মাঝে ফ্রিজ বন্ধ রাখলে কী হতে পারে-

আজকালকার ফ্রিজে থার্মোস্ট্যাট থাকে যা প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা বজায় রাখার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কম্প্রেসর চালু এবং বন্ধ করে। অর্থাৎ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলে ফ্রিজ নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়, আলাদা করে তা করার কোনো দরকার নেই। শীতলতা কমে গেলে কম্প্রেসর আবার ফ্রিজের ভিতরটা ঠান্ডা করার কাজ শুরু করে দেয়।

ফ্রিজ বার বার চালু করলে এবং বন্ধ করলে একটানা চলার চেয়ে বেশি পাওয়ার খরচ হতে পারে। যার প্রভাব ইলেকট্রিক বিলে সামান্য হলেও বেশি পড়বে।

দিনে কোনো এক সময়ে বন্ধ রাখলে ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয়ও থাকে। তা রোধ করার জন্য ফ্রিজের তাপমাত্রা স্থির রাখা প্রয়োজন। বার বার ফ্রিজ চালু এবং বন্ধ করলে সেই প্রক্রিয়ায় বাধা তো পড়বেই!

ঘন ঘন চালু এবং বন্ধ করলে কম্প্রেসরের উপর চাপ বেশি পরে। ফলে কম্প্রেসরের আয়ু কমে যেতে পারে। যেহেতু কম্প্রেসর স্বয়ংক্রিয়ভাবেই চলে তাই, বার বার এটিতে বাধা পরলে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

ফ্রিজ বন্ধ থাকলে ভেতরে আর্দ্রতা এবং ছত্রাক তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে যদি এটি বন্ধ করার আগে ভালোভাবে পরিষ্কার না করা হয়। এতে খাবারে ব্যাক্টেরিয়া জমে নষ্ট হতে পারে। এসব খাবার খেয়ে আবার পরিবারের সদস্যদের পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৬ এপ্রিল ১৯৭১: শপথের প্রতীক্ষা ও রণক্ষেত্রের আর্তনাদ

মুজিবনগর ও আমাদের প্রথম সাংবিধানিক পরিচয়

১২ এপ্রিল ১৯৭১: সরকারের পূর্ণাঙ্গ অবয়ব ও বালারখাইলের রক্তাক্ত ট্র্যাজেডি

রক্ষাকালী মন্দির গণহত্যা: পাবনার এক রক্তাক্ত অধ্যায়

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম ভাষণ

১১ এপ্রিল ১৯৭১: তাজউদ্দীন আহমদের ভাষণ ও সংগঠিত প্রতিরোধের সূচনা

১০ এপ্রিল ১৯৭১: বাংলাদেশের প্রথম সরকার ও স্বাধীনতার সনদ

১০ এপ্রিল ১৯৭১: যখন যুদ্ধের অন্ধকারে জন্ম নেয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের আইনি সূর্য

০৫ এপ্রিল ১৯৭১: বহুমুখী যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

৩১ মার্চ ১৯৭১: নাথপাড়ার রক্তগঙ্গা ও বিশ্ববিবেকের গর্জন

১০

৩০ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন ও বিশ্ববিবেকের জাগরণ

১১

ইতিহাসের অবিনশ্বর নক্ষত্র: শহীদ শাফী ইমাম রুমী

১২

২৯ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন ও আত্মাহুতির এক নৃশংস অধ্যায়

১৩

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা,আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশ

১৪

২৮ মার্চ ১৯৭১: ধ্বংসযজ্ঞের ছাপ আর বাঙালির সুসংগঠিত প্রতিরোধ

১৫

২৭ মার্চ ১৯৭১: বিশ্ব জানল, বাংলাদেশ স্বাধীন

১৬

২৬ মার্চ ১৯৭১: একটি জাতির রক্তক্ষয়ী সূর্যোদয় ও স্বাধীনতার ঘোষণা

১৭

গণহত্যার বিরুদ্ধে শৈল্পিক প্রতিবাদ / ২৫শে মার্চের কালরাত্রি স্মরণে প্রাচ্যনাটের ‘লালযাত্রা’

১৮

২৫ মার্চ, ১৯৭১: ইতিহাসের কলঙ্কিত কালরাত ও বিভীষিকাময় গণহত্যা

১৯

২৪ মার্চ ১৯৭১: প্রতিরোধের আগুন আর চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিন

২০