ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩৩
মুক্ত মনমুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

খলিলুর রহমান: নীলক্ষেতের রক্তমাখা ছায়া থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

খলিলুর রহমান: নীলক্ষেতের রক্তমাখা ছায়া থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক চমক সৃষ্টি করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এখন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্রেট কোটা থেকে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান । কিন্তু এই নিয়োগ শুধু একটি পদের পরিবর্তন নয়; এটি এক ব্যক্তির দীর্ঘ ও অন্ধকার অধ্যায়ের পুনর্বাসনের গল্প, যার শুরু এক হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে।

যে খলিলুর রহমানকে নিয়ে একসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলেন এবং তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছিলেন, সেই তিনিই এখন বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। কীভাবে এই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলালো? কে এই খলিলুর রহমান, এবং তার গত ২৩ বছর কোথায় কাটল? এই প্রতিবেদনে উন্মোচিত হচ্ছে সেই সব প্রশ্নের জবাব।

প্রারম্ভিক জীবন: মেধার স্বীকৃতি ও কূটনৈতিক উত্থান

ড. খলিলুর রহমান ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং একই বছর প্রথম বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন । ১৯৭৯ সালে তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারে যোগ দেন। ১৯৮০-৮৩ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পান এবং আইন ও কূটনীতিতে এমএ এবং অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের দাবি করেন ।

তিনি ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে যোগ দেন এবং সেখানে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে তিনি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলনে (আঙ্কটাড) বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন এবং ২০০৬ সালে জাতিসংঘ থেকে অবসর গ্রহণ করেন । তার এই দীর্ঘ ক্যারিয়ার তাকে একজন বিশিষ্ট কূটনীতিক ও অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।

২০০১ সালের আগস্ট: নীলক্ষেতের মর্মান্তিক ঘটনা

২০০১ সালের আগস্ট মাস। রাজধানীর নীলক্ষেতে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির অফিসার্স কোয়ার্টারের তিস্তা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ঘটে যায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার প্রটোকল অফিসার আয়েশা আফসারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন স্বামী জহিরুল ইসলামের হাতে। নিজের লাইসেন্সকৃত পিস্তল দিয়ে আয়েশাকে হত্যার পর জহিরুল একই অস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করেন ।

প্রথমে ঘটনাটিকে পারিবারিক কলহ হিসেবে তুলে ধরা হলেও পরবর্তীতে বেরিয়ে আসে আরও ভয়াবহ সত্য। আয়েশা আফসারী প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়েরই এক প্রভাবশালী কর্মকর্তার দ্বারা ধর্ষণের শিকার হন। সেই কর্মকর্তা তাকে নিউইয়র্কে পোস্টিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন ভোগ করেন এবং শেষ পর্যন্ত তার পোস্টিং হয় নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে সেকেন্ড সেক্রেটারি পদে।

এই ঘটনার নেপথ্যের নায়ক (বা খলনায়ক) কে ছিলেন? সাংবাদিক আরশাদ মাহমুদের অনুসন্ধান ও তথ্য-প্রমাণ অনুযায়ী, সেই ধর্ষক আর কেউ নন, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমানের একান্ত সচিব (পিএস-১) হিসেবে কর্মরত ছিলেন, যিনি তার ভায়রা ভাই ছিলেন বলে জানা যায় ।

ঘটনার পর জানা যায়, খলিলুর রহমান আয়েশাকে নিউইয়র্কে পোস্টিং করিয়ে দেন এবং নিজেও একই সময়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনে পোস্টিং নেন। অর্থাৎ, দুজনের কর্মস্থল একই দেশে—যুক্তরাষ্ট্রে। আয়েশার স্বামী জহিরুল ইসলাম এই বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন এবং এই মানসিক চাপ ও অপমানবোধই তাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দেয় ।

পলায়ন ও ছদ্মনামে ২৩ বছর

আয়েশা আফসারী হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান নিজের ভায়রা ভাইকে রক্ষায় এগিয়ে আসেন। তার ছত্রছায়ায় খলিলুর রহমান দ্রুত দেশ ছাড়েন এবং যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আত্মগোপন করেন। সেখানে তিনি নাম পাল্টে রাখেন ‘রজার রহমান’।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি নিজের পরিচয় গোপন করে ‘রজার রহমান’ নামে বসবাস করতেন। পাবলিক রেকর্ড অনুযায়ী তিনি নিউ ইয়র্ক, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস ও মেরিল্যান্ড—এই চারটি রাজ্যে বিভিন্ন ঠিকানায় অবস্থান করেন। তার বসবাসের স্থানগুলোর মধ্যে ছিল—২৯ ব্রেটন রোড, স্কারসডেল, নিউ ইয়র্ক; ১ কুয়াকার লেন, গ্রিনউইচ, কানেকটিকাট; ১৭ ক্লাইড রোড, ওয়াটারটাউন, ম্যাসাচুসেটস; এবং ৩৬ আলেকজান্দ্রিয়া ড্রাইভ, অক্সন হিল, মেরিল্যান্ড।

২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের গ্রিনউইচের হুইটবি স্কুল তাদের পরিচালনা পর্ষদে নতুন তিনজনকে যুক্ত করার ঘোষণা দেয়, যাদের মধ্যে খলিল রহমান নামে একজন ছিলেন। স্কুলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং ২০০৬ সালে জাতিসংঘ থেকে অবসর নেন। এতে আরও বলা হয়, তার দুই নাতি-নাতনি হুইটবি স্কুলেই পড়াশোনা করে।

২০১৪ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চান, দাবি করেন তিনি বিএনপির সদস্য এবং দেশে ফিরলে তার প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে—অথচ এই আশ্রয়ের আবেদন ছিল মূলত নিজের অপরাধ আড়াল করার একটি পরিকল্পিত চেষ্টা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ও একাধিক পরিচয়

খলিলুর রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে। তিনি দাবি করেন, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট থেকে তিনি এমএ ইন ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি ডিগ্রি নিয়েছেন। অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন শায়ের এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলে ফেসবুকে লেখেন, তিনি হার্ভার্ডের অ্যালামনাই ডেটাবেজে খোঁজ করে খলিলুর রহমান নামে কাউকে পাননি।

টাফটস ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৮৩ সালে পিএইচডি ডিগ্রি নিলেও সেখান থেকে দ্বিতীয় এমএ ডিগ্রি নেওয়ার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন উঠেছে, ১৯৭৯ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার এক বছরের মধ্যে তিনি কেমন করে উচ্চ শিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারলেন, যেখানে একজন শিক্ষানবিশ কর্মকর্তার জন্য এটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া নয় ।

এছাড়াও তিনি রজার রহমান, খলিল রহমান এবং খলিলুর ডি রহমান—এমন তিনটি নাম ব্যবহার করেছেন বলে জানা গেছে।

ইউনূস সরকারে প্রত্যাবর্তন ও প্রভাব বিস্তার

২০২৪ সালের নভেম্বরে হঠাৎ করেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বিস্ময়কর প্রত্যাবর্তন ঘটে খলিলুর রহমানের। ২৩ বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে প্রথমে রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে নিয়োগ দেন । পরে ২০২৫ সালের এপ্রিলে তাকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ দেওয়া হয় ।

এই নিয়োগের পরপরই তিনি ইউনূস প্রশাসনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়েও তিনি সরব ভূমিকা রাখেন। মিয়ানমারের রাখাইনে বাংলাদেশ দিয়ে করিডোর স্থাপনের বিষয়ে তিনি বিশেষ আগ্রহ দেখান, যাতে আপত্তি জানানোয় পররাষ্ট্র সচিব জসীমউদ্দিনকে পদ হারাতে হয় ।

তার প্রভাব এতটাই ছিল যে, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে তার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক হয় এবং পরে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেও তিনি বৈঠক করেন। সূত্রমতে, বৈঠকে বাংলাদেশের ওপর চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব কমানো, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয় ।

বিএনপির অবস্থান বদল: সমালোচক থেকে আস্থাভাজন

খলিলুর রহমানকে নিয়ে সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি তৈরি হয় বিএনপির অবস্থান পরিবর্তন নিয়ে। অন্তর্বর্তী সরকারে তার নিয়োগের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেন—একজন দীর্ঘদিন বিদেশে থাকা ব্যক্তিকে কীভাবে এমন সংবেদনশীল পদে বসানো হলো? তিনি ইঙ্গিত দেন, খলিলুর রহমান হয়তো বিদেশি কোনো শক্তির প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন ।

২০২৫ সালের ২৪ মে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি নেতারা খলিলকে সরানোর দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেন। সালাহউদ্দিন, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান ও আমীর খসরু মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিনিধি দল এই দাবি লিখিতভাবে পেশ করেন ।

কিন্তু এর আগেই ঘটে যায় এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের বৈঠকে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন খলিলুর রহমান। তারেক রহমানকে হোটেল লবি থেকে ইউনূসের কক্ষ পর্যন্ত নিয়ে যান তিনি এবং বৈঠক চলাকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যৌথ বিবৃতি খলিলই পড়ে শোনান । এই বৈঠকের মাধ্যমেই খলিল তারেক রহমানের আস্থা অর্জন করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ: ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নাকি কৌশল?

অবশেষে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের সরকার গঠিত হলে টেকনোক্রেট কোটা থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান খলিলুর রহমান। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই নিয়োগকে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, "পরিকল্পনা করে দুই-তৃতীয়াংশ আসন সরকারি দল নিয়ে নিল, এই সংবিধান সংস্কার যাতে না হয়, এই জটিলতা, এটা পুরাটাই একটা ইঞ্জিনিয়ারিং। আজকে জাতির সামনে সেটা উন্মোচন হচ্ছে খলিলুর রহমানের মন্ত্রিসভায় যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে"।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নিয়োগের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। খলিলুর রহমানের যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ অবস্থান, সেখানে তার পরিচিতি ও যোগাযোগ, এবং ওয়াশিংটনে তার ভালো সম্পর্ক—সব মিলিয়ে তাকে আন্তর্জাতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বাণিজ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা—এসব ইস্যুতে দক্ষ কূটনৈতিক পরিচালনার জন্যই তাকে এই পদে বসানো হতে পারে বলে মত দিচ্ছেন অনেকে।

অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মার্কিন স্বার্থের প্রতিনিধি কি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী?

খলিলুর রহমান: নীলক্ষেতের রক্তমাখা ছায়া থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিআইবির নির্বাচন পর্যবেক্ষণ / আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচনের ‘অন্তর্ভুক্তি’ নিয়ে প্রশ্ন

সহিংসতার নতুন উচ্চতা / মব হত্যা দ্বিগুণ, অজ্ঞাত লাশ বেড়েছে, সংখ্যালঘু নির্যাতন তীব্র

জঙ্গি সংগঠনগুলোর ন্যারেটিভ ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তির আহ্বান ও শ্বাশত মুজিব’

সবচেয়ে উঁচুতে দাঁড়িয়ে ‘বীর’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জয় বাংলা’

ফরিদপুর স্টেডিয়াম বধ্যভূমি

ইতিহাসের সাক্ষী ঝিনাইদহের ‘প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ ফলক’

১০

স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য / রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ

১১

পবিপ্রবির ‘মুক্ত বাংলা’: উপকূলীয় জনপদে স্বাধীনতার অবিনাশী প্রতীক

১২

কারাগারের গেটে স্ত্রী-সন্তানের লাশ: একটি রাষ্ট্রের নৈতিক পতনের চিত্র

১৩

ঔপনিবেশিক আমলে বাঙালি নারী ও তাদের বিলাতযাত্রা

১৪

নির্বাচনের মাঠে ধর্মের কার্ড: গণতন্ত্রের জন্য হুমকি?

১৫

নারী ভোটারদের এনআইডি কপি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ আশঙ্কাজনক: মাহদী আমিন

১৬

সরকারের কাছে পাওনা ৪ হাজার কোটি টাকা / অর্থাভাবে বন্ধ হতে পারে বাঁশখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

১৭

নয়া প্ল্যাটফর্ম নয়, পুরানো ভণ্ডামির নতুন দোকান

১৮

ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর বিয়ের উদ্যোগ বন্ধ হোক

১৯

জামায়াতে ইসলামী অনুতপ্ত নয় একাত্তরের জন্য ক্ষমা চায়নি

২০