ঢাকা রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩
মুক্ত ভাবনামুক্ত চিন্তামুক্তি গাথা

চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অপারেশন জ্যাকপট’-এর নায়ক আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম, বীর বিক্রম

প্রিয়ভূমি প্রতিবেদক
১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম, বীর বিক্রম | ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বিরল দুই রাষ্ট্রীয় খেতাব—‘বীর উত্তম’ ও ‘বীর বিক্রম’-এ ভূষিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এ ডব্লিউ চৌধুরী। সর্বমহলে এ ডব্লিউ চৌধুরী নামে সর্বাধিক পরিচিত হলেও তাঁর পুরো নাম আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী। ১৯৪৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর তৎকালীন নোয়াখালী জেলার (বর্তমান ফেনী জেলা) ফেনী শহরে তাঁর জন্ম। পিতা ডা. শামসুল হুদা চৌধুরী এবং মাতা গুল-এ আনার বেগম। পিতা সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত থাকার সুবাদে তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে কলকাতা ও ঢাকায়। ঢাকার তেজগাঁও পলিটেকনিক স্কুল থেকে ১৯৬০ সালে সফলতার সাথে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন তিনি।

পাকিস্তান নৌবাহিনী ও সাবমেরিনার জীবন

পড়াশোনা শেষ করেই ১৯৬০ সালে তিনি পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগ দিয়ে করাচি চলে যান। সেখানে উচ্চতর সামরিক শিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে সাবমেরিনার হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৭১ সালের মার্চ পর্যন্ত তিনি ফ্রান্সে অবস্থান করছিলেন। ফ্রান্সের কাসাব্লাঙ্কা/তুলো পোর্তে পাকিস্তান নৌবাহিনীর ক্রয়কৃত ‘পিএনএস ম্যানগ্রো’ (PNS Mangro) নামক সাবমেরিনটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কমিশন লাভের পর পাকিস্তানে নিয়ে আসার দায়িত্ব প্রাপ্ত টিমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় নিয়োজিত ছিলেন।

স্বাধিকার আন্দোলন ও ফ্রান্সে বসেই বিদ্রোহের সংকল্প

মাতৃভূমি থেকে হাজার মাইল দূরে অবস্থান করলেও তাঁর ধমনীতে প্রবহমান ছিল গভীর দেশপ্রেম। চাকরিসূত্রে তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন কীভাবে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের পদে পদে হেয় ও বৈষম্যের শিকার করত। ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকারী জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণহানির পরও পাকিস্তানি শাসকদের ঔদাসীন্য তাঁকে গভীরভাবে ক্ষুব্ধ করে। পরবর্তীতে সত্তরের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ক্ষমতা হস্তান্তরে তৎকালীন সামরিক জান্তা প্রধান ইয়াহিয়া খানের ষড়যন্ত্র তাঁকে আরও ব্যথিত ও প্রতিবাদী করে তোলে।

৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে—“তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে”—নির্দেশটি সুদূর ফ্রান্সে অবস্থান সত্ত্বেও বুঝতে তাঁর বিন্দুমাত্র দেরি হয়নি। ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত গণহত্যার খবর তিনি ফরাসি সংবাদপত্র লা মন্ডে (Le Monde) ও বিবিসি (BBC) নিউজের মাধ্যমে জানতে পারেন। আগামী ১লা এপ্রিল ‘পিএনএস ম্যানগ্রো’ নিয়ে করাচির উদ্দেশে ফ্রান্স ছাড়ার কথা থাকলেও, ২৬শে মার্চেই তিনি মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য বিদ্রোহের গোপন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

তুলো থেকে ভারতে দুঃসাহসিক পলায়ন

সহকর্মী বাঙালি সাবমেরিনারদের সাথে গোপনে আলোচনা করে ২৯ মার্চ মোট ৯ জন সাবমেরিনার বিভিন্ন সীমান্ত পথে (জেনেভা, ইতালি ও স্পেন হয়ে) পলায়ন করেন। নানামুখী চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সর্বশেষে স্পেনের মাদ্রিদে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সার্বিক সহায়তায় ১০ এপ্রিল আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীসহ ৮ জন সাবমেরিনার মুম্বাই (তৎকালীন বোম্বে) পৌঁছান (অন্য ১ জন লন্ডনে গমন করেন)।

বোম্বে থেকে তাঁদের নয়াদিল্লি নেওয়া হয় এবং সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গোপন ও সিদ্ধান্তমূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ঐতিহাসিক বৈঠকে বাংলাদেশ বাহিনীর প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানীও উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকেই মূলত বাংলাদেশের জন্য একটি চৌকস ও আত্মঘাতী ‘নৌ-কমান্ডো দল’ গড়ে তোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রশিক্ষণ ও লিডারশিপ: পলাশী ‘সি-সেক্টর’ ক্যাম্প

দিল্লি ও পলাশীর গোপন প্রশিক্ষণ

প্রথমে দিল্লির যমুনা নদীতে তাঁদের লিমপেট মাইন ব্যবহারের প্রাথমিক কৌশল শেখানো হয়। কোমরে ৫ কেজি ওজনের লিমপেট মাইন বেঁধে সাঁতার কাটা, পানির নিচে জাহাজের গায়ে মাইন স্থাপন, সেফটি ফিউজ লাগানো, ডেটোনেটর সক্রিয় করা এবং প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভ ব্যবহারের অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কৌশলগুলোতে দক্ষতা অর্জন করেন তাঁরা। পানির নিচের টার্গেট ধ্বংস বা ডেমোলিশনের প্রত্যক্ষ ধারণা দিতে তাঁদের দিল্লির ঐতিহাসিক কুতুব মিনারে নিয়ে যাওয়া হতো।

এরপর মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ভাগীরথী নদীর তীরে ঐতিহাসিক পলাশীর নির্জন স্থানে একটি গোপন নৌ-কমান্ডো ট্রেনিং ক্যাম্প (সি-সেক্টর) গড়ে তোলা হয়। ২১শে মে থেকে জুলাই শেষ পর্যন্ত সেখানে প্রায় ৫০০ জনেরও বেশি তরুণ মুক্তিযোদ্ধাকে কঠোর কমান্ডো প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফ্রান্স থেকে আগত এ ডব্লিউ চৌধুরী ও তাঁর অন্য ৭ জন সাবমেরিনার সতীর্থ উক্ত প্রশিক্ষণে মূল ইনস্ট্রাক্টর ও দলনেতা (গ্রুপ লিডার) হিসেবে মূল চালিকাশক্তির দায়িত্ব পালন করেন।

‘অপারেশন জ্যাকপট’ ও চট্টগ্রাম বন্দরে ঐতিহাসিক আঘাত

সংকেত গ্রহণ ও ছদ্মবেশে চট্টগ্রাম প্রবেশ

কলম্বো হয়ে বঙ্গোপসাগরের নৌপথে পাকিস্তানি বাহিনীর সৈন্য ও সামরিক অস্ত্র আনা-নেওয়া অকার্যকর করার লক্ষ্যে আগস্টের মধ্যভাগে একযোগে বড় বন্দরগুলোতে নৌ-কমান্ডো অভিযানের যৌথ সিদ্ধান্ত হয়, যার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন জ্যাকপট’।

এর মধ্যে সবচেয়ে জটিল ও বড় অপারেশন চট্টগ্রাম বন্দর দখলের দায়িত্ব দেওয়া হয় সাবমেরিনার এ ডব্লিউ চৌধুরীর ওপর। তাঁর নেতৃত্বে ৬০ জন আত্মঘাতী কমান্ডোর একটি স্কোয়াড গঠিত হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে দলটিকে ২০ জন করে ৩টি সাব-গ্রুপে ভাগ করে ত্রিপুরা রাজ্যের সাব্রুম সীমান্ত দিয়ে ১০ই আগস্ট বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়। দীর্ঘ পথ হেঁটে ও নৌকায় করে ছাগলনাইয়া-ফেনী-মিরসরাই হয়ে ১৩ই আগস্ট ৪০ জন কমান্ডো নিরাপদে চট্টগ্রামে পৌঁছান।

প্রথম সংকেত (১৩ আগস্ট): সকাল ও সন্ধ্যায় আকাশবাণী কলকাতার 'খ' কেন্দ্র থেকে পঙ্কজ মল্লিকের কণ্ঠে বাজে কালজয়ী গান—“আমি তোমায় যত শুনিয়েছিলেম গান”। এটি ছিল অপারেশনের পূর্বপ্রস্তুতির প্রথম ওয়ার্নিং সিগন্যাল।

দ্বিতীয় সংকেত (১৪ আগস্ট): দিনভর একই বেতার কেন্দ্র থেকে বাজে গান—“আমার পুতুল আজকে প্রথম যাবে শ্বশুরবাড়ি”। এটি পাওয়ার সাথে সাথে এ ডব্লিউ চৌধুরী কমান্ডোদের চূড়ান্ত প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দেন।

মৃত্যুর মুখোমুখি জীবনবাজি

১৪ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের সবুজবাগ বেইজ ক্যাম্প ও ও. আর নিজাম রোডের গুপ্ত স্থান থেকে স্থানীয় মুক্তিসংগ্রামীদের সহায়তায় জীবন বাজি রেখে লিমপেট মাইন, গ্রেনেড ও অস্ত্রশস্ত্রসহ চেকপোস্ট এড়িয়ে কর্ণফুলী নদীর পূর্ব পাড়ে চরলক্ষ্যা শেল্টারে অবস্থান নেন তাঁরা।

দলনেতা এ ডব্লিউ চৌধুরী তাঁর বডিগার্ড ও সমন্বয়ক কমান্ডো খোরশেদ আলম (বীর প্রতীক)-কে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়ে রেখেছিলেন—কোনো কারণে তিনি (এ ডব্লিউ চৌধুরী) শত্রুর হাতে ধরা পড়ার উপক্রম হলে, শত্রু যেন তাঁকে জীবিত আটক করতে না পারে; খোরশেদ আলম যেন নিজের পিস্তল দিয়ে দলনেতাকে গুলি করে হত্যা করেন।

অপারেশন জ্যাকপট: চট্টগ্রাম বন্দর এক নজরে তথ্য বিবরণী
অভিযানের তারিখ ও সময় ১৪ আগস্ট রাত ১২:০১ মি. (১৫ আগস্টের প্রথম প্রহর)
মূল নেতৃত্ব (দলনেতা) এ ডব্লিউ চৌধুরী, বীর উত্তম, বীর বিক্রম
কমান্ডো সংখ্যা ৬০ জন (১১টি সাব-টিমে বিভক্ত)
প্রয়োগকৃত অস্ত্র লিমপেট মাইন (প্রতি লক্ষ্যবস্তুতে ৩টি করে)
অপারেশনের স্থান কর্ণফুলী নদী ও চট্টগ্রাম বন্দর
মোট ক্ষয়ক্ষতি ৯টি পাকিস্তানি জাহাজ, বার্জ, গানবোট ধ্বংস ও নিমজ্জিত

১৫ই আগস্টের সেই ভয়াল রাত

১৪ই আগস্ট রাত বারোটার পর প্রবল বৃষ্টির মধ্যে এ ডব্লিউ চৌধুরীর সরাসরি পরিচালনায় নৌ-কমান্ডোরা লিমপেট মাইন নিয়ে বুকসমান ও সাঁতার পানিতে কর্ণফুলী নদীতে নামেন। নাঙ্গর করে রাখা বিশাল আকৃতির ১১টি জাহাজ, বার্জ ও গানবোট লক্ষ্য করে মোট ১১টি সাব-গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অকুতোভয় কমান্ডোরা অন্ধকার নদীতে ডুবসাঁতারে এগোতে থাকেন। ৭ জন কমান্ডো নদীর তীরে নিরাপত্তার দায়িত্বে অস্ত্র হাতে পাহারা দেন।

প্রতিটি জাহাজের পানির নিচের অংশে চুম্বকীয় লিমপেট মাইন যুক্ত করে ও সেফটি ফিউজ সক্রিয় করে সকলে অলৌকিক ও দক্ষতার সাথে তীরে ফিরে আসেন। রাত ১টার পর থেকে বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে চট্টগ্রাম শহর ও বন্দর এলাকা। একের পর এক বিস্ফোরণে পাকিস্তানের রসদবাহী ৯টি শক্তিশালী জাহাজ ও সামরিক যান কর্ণফুলীর জলে সলিল সমাধি লাভ করে।

বিশ্বের বড় বড় সংবাদমাধ্যমে এই দুঃসাহসিক অপারেশনের খবর প্রধান শিরোনাম হিসেবে প্রচার পায়, যা পাকিস্তানি সৈন্যদের মনোবল গুঁড়িয়ে দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধের গতিপ্রকৃতি চিরতরে বদলে দেয়।

স্বাধীনোত্তর অবদান ও জীবনপঞ্জি

বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠন ও বন্দর পুনর্গঠন

১৬ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর নবগঠিত বাংলাদেশ নৌবাহিনী গড়ার কাজে নিজেকে সমর্পণ করেন এ ডব্লিউ চৌধুরী। তিনিই ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম ক্যাডেট কর্মকর্তা।

যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানি বাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন এবং ডুবন্ত জাহাজের ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে অচল চট্টগ্রাম বন্দরকে পুনরায় সচল ও নিরাপদ করতে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের (রাশিয়া) বিশেষ নৌ-টিমের সাথে তিনি সমন্বয়কের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যক্তিগত জীবন ও অর্জন

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা, অতুলনীয় নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একই সাথে ‘বীর উত্তম’ ও ‘বীর বিক্রম’ রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত করে। দীর্ঘ গৌরবোজ্জ্বল সামরিক সেবা শেষে ১৯৯৭ সালের ১লা জানুয়ারি তিনি কমোডর পদে অবসর গ্রহণ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর সহধর্মিণী সাবেরা ওয়াহেদ চৌধুরী। এই দম্পতি এক কন্যা ও এক পুত্রসন্তানের জনক-জননী। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবসর জীবন যাপন করছেন।

তথ্যসূত্র ও আর্কাইভ

  • ১. বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ (১ম খণ্ড)
  • ২. কমান্ডার এ ডব্লিউ চৌধুরী, বীর উত্তম, বীর বিক্রম-এর সাথে একক সাক্ষাৎকার (২০১৯)
  • ৩. অপারেশন জ্যাকপট – চট্টগ্রাম, সম্পাদন: বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাইদ সরদার (নেভাল কমান্ডো অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস, ২০১৫)
অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৫ আগস্ট ২০২৬: ইতিহাস, বর্তমান ও করণীয়

‘অপারেশন জ্যাকপট’-এ মোংলা সমুদ্রবন্দর গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রলয়ংকরী ইতিহাস

চট্টগ্রাম বন্দরের দুর্ধর্ষ নৌ কমান্ডো ডা. মোহাম্মদ শাহ আলম বীর উত্তম

চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অপারেশন জ্যাকপট’-এর নায়ক আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম, বীর বিক্রম

ইতিহাসের পাতায় এক বীরের পদচ্ছাপ / নৌ-কমান্ডো এনামুল হক ও অপারেশন জ্যাকপট

দুর্ধর্ষ সাঁতারু মুক্তিবাহিনীর অজানা বীরত্বগাথা

শেখ হাসিনার নিরাপদ প্রত্যাবর্তন ও মৃত্যুদণ্ড স্থগিতের বিষয়ে একমত যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত

ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশ / প্রিয়ভূমি’র টানে ৮ নৌসেনার দুঃসাহসিক পলায়ন

ছিনতাইকারীদের ধাক্কা, সড়কে পড়ে কাভার্ড ভ্যান চাপায় শিক্ষার্থী নিহত

৫ বছরে ৫ বিলিয়ন ডলার মার্কিন বিনিয়োগ আনার আশ্বাস অ্যামচেমের

১০

২৭ আগস্ট বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

১১

গ্যাস-কয়লা সংকটে বন্ধ ৪১ বিদ্যুৎকেন্দ্র / ৩,৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ে কাবু দেশ

১২

সিরিয়ায় ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

১৩

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের দুই বছরের সীমা তুলে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

১৪

রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ‘অপারেশন জ্যাকপট ডে’ স্মারক অনুষ্ঠান ১৬ আগস্ট

১৫

গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেলো সুনামগঞ্জের কাঙ্ক্ষিতা

১৬

‘র’ প্রধান পরাগ জৈন ঢাকায়

১৭

১৩ বছর পর রাজাকার আজাদের আত্মসমর্পণ ও আপিল, শুনানি ১৭ আগস্ট

১৮

এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ

১৯

ইলিয়াস আলী গুম মামলা: উইং কমান্ডার সাইফুরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

২০